পাকিস্তান আন্দোলন
![]() |
পাকিস্তান স্মৃতিস্তম্ভ |
পাকিস্তান (উর্দু: پاکِستان), সরকারিভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তান (উর্দু: اِسلامی جمہوریہ پاکِستان), দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। ২১,২৭,৪২,৬৩১-র অধিক জনসংখ্যা নিয়ে এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম রাষ্ট্র[৬] এবং আয়তনের দিক থেকে ৩৩তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। পাকিস্তানের দক্ষিণে আরব সাগর , ওমান উপসাগরীয় উপকূলে ১০৪৬ কিলোমিটার (৬৫০ মাইল) উপকূল রয়েছে , এটি পূর্ব দিকে ভারতের দিকে, আফগানিস্তান থেকে পশ্চিমে, ইরান দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং উত্তর-পূর্ব দিকে চীন সীমান্তে অবস্থিত। এটি উত্তর-পশ্চিমে আফগানিস্তানের ওয়াখান করিডোরের দ্বারা তাজিকিস্তান থেকে সংকীর্ণভাবে বিভক্ত এবং ওমানের সাথে সমুদ্রের সীমান্ত ভাগ করে।
আন্দোলনের লক্ষ্য
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে সমান্তরালে এই আন্দোলন চলে। দুই আন্দোলনের উদ্দেশ্য একই ছিল। তবে পাকিস্তান আন্দোলনের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল এর ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা.
আন্দোলনের ইতিহাস
প্রথম সংগঠিত আন্দোলন সৈয়দ আহমদ খান কর্তৃক আলিগড়ে শুরু হয় যা আলিগড় আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়। এটি পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তিস্থাপন করে।[৪] ১৯০৬ সালে একটি শিক্ষা কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। মুসলিম সংস্কারকরা আন্দোলনকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নিয়ে যান। এসময় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ গঠিত হয়। গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা।[৫] আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনের পর এটি দার্শনিক আল্লামা ইকবালের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে।[৬][৭] মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর সাংবিধানিক প্রচেষ্টা আন্দোলনের জন্য জনসমর্থন সৃষ্টি করে।[৮] উর্দু কবি ইকবাল ও ফয়েজ সাহিত্য, কবিতা ও বক্তৃতার মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা গঠনে ভূমিকা রাখেন।[৯][১০][১১] নারীদের মধ্যে বেগম রানা লিয়াকত আলি খান ও ফাতেমা জিন্নাহ এতে ভূমিকা রাখেন।[১২]
পাকিস্তান আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেয়। পরবর্তীতে ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ প্রণীত হয় যার আওতায় স্বাধীন ডোমিনিয়ন ভারত ও পাকিস্তান গঠিত হয়।[১৩][১৪] পাকিস্তান আন্দোলন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার ফলাফল স্বরূপ ছিল।[১৫] প্রতিষ্ঠাতারা এরপর শক্তিশালী সরকার গঠন করতে সচেষ্ট হন।[১৬] পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।[১৭] রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[১৮] এরপর থেকে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান অংশ পাকিস্তান রাষ্ট্র নামে পরিচিত হয়।
পাকিস্তান আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেয়। পরবর্তীতে ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ প্রণীত হয় যার আওতায় স্বাধীন ডোমিনিয়ন ভারত ও পাকিস্তান গঠিত হয়।[১৩][১৪] পাকিস্তান আন্দোলন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সামাজিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রক্রিয়ার ফলাফল স্বরূপ ছিল।[১৫] প্রতিষ্ঠাতারা এরপর শক্তিশালী সরকার গঠন করতে সচেষ্ট হন।[১৬] পরবর্তীতে ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।[১৭] রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।[১৮] এরপর থেকে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান অংশ পাকিস্তান রাষ্ট্র নামে পরিচিত হয়।
0 Comments